
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতির গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশের আগে সুদের হার বাড়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে। বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ বিক্রি এবং ফেডারেল রিজার্ভের সম্ভাব্য কঠোর মুদ্রানীতির ইঙ্গিতে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত স্বর্ণের বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার নিউইয়র্ক সময় সকাল পর্যন্ত স্পট গোল্ডের দাম ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২৯৮.৭৫ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে আগস্ট ডেলিভারির মার্কিন গোল্ড ফিউচার্সের দাম ০.৯ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৩২৩.৯০ ডলার।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশের আগে অনিশ্চয়তা বাড়ায় বিনিয়োগকারীরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। বুধবার ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) এবং বৃহস্পতিবার প্রযোজক মূল্যসূচক (পিপিআই) প্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে। এসব তথ্য ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী সুদের হার নীতির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেবে।
কমার্সব্যাংকের এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, প্রত্যাশার চেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতি দেখা গেলে স্বর্ণের দাম আরও কমতে পারে। সিএমই ফেডওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, বাজারে আগামী ডিসেম্বরে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা প্রায় ৭০ শতাংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমার ইঙ্গিত এবং ইরান-ইসরাইলের হামলা বন্ধের ঘোষণার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও কমেছে। তেলের মূল্য হ্রাস মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে সহায়ক হতে পারে।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। স্পট সিলভারের দাম ৩.২ শতাংশ, প্লাটিনামের দাম ১.১ শতাংশ এবং প্যালাডিয়ামের দাম ২.৫ শতাংশ কমেছে।












































